দেশ ও মানুষের কথা বলে

[vc_row][vc_column]

[/vc_column][/vc_row]

মুন্সীগঞ্জে শীতের পোশাক কিনার হিড়িক! বেশি দামে সয়লাভ ব্যবসায়ী

জানুয়ারী,০৯,২০২৩

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:

পৌষের শেষাংশে শীতের তীব্রতা বাড়ায় জনজীবন জবুথুবু। এ অবস্থাতে মুন্সিগঞ্জের শীতের পোশাক কেনার হিড়িক পড়েছে। প্রতিটি দোকানে সাধারণ সময়ের চেয়ে এ সময়ে বেঁচাকেনা বেড়েছে কয়েকগুণ । এদিকে চাহিদা বাড়ায় দাম বৃদ্ধি করে অল্প পুঁজিতে বেশি বিক্রিতে সয়লাভ ব্যবসায়রা এমন অভিযোগ করছেন ক্রেতারা।

তবে বিক্রেতারা জানিয়েছেন, পাইকারীতে বেশি দামে ক্রয় করতে হচ্ছে, তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে।

সোমবার (৯ জানুয়ারি) বিকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলা শহরের কাচারী চত্বর এলাকা থেকে সুপারমার্কেট, পাতাল মার্কেটসহ বিভিন্ন বিপণনি বিতানে ক্রেতাদের ভিড়। শীতের পোশাক জ্যাকেট, সোয়েটার, চাদর, মাফলার, ট্রাউজার, ভারি টি-শার্ট, টুপি, হুডিসহ বিভিন্ন পোশাক ও সামগ্রী ক্রয় করছেন ক্রেতারা। বিভিন্ন রাস্তার পাশে ফুটপাতেও বসেছে ভ্রাম্যমাণ দোকান। নিম্ন আয়ের মানুষ সেখান থেকেই ক্রয় করছে শীতের পোশাক। চলছে সব জায়গায় জমজমাট কেনাবেচা। শিশুদের পোশাকের দোকানে নারী ক্রেতা ঢল দেখা গেছে।

নুর হোসেন নামের এক ক্রেতা জানান, কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। বাড়ীতে ছোট বাচ্চাদের জন্য জামা টুপি কিনতে বের হয়েছি। কিছু কিনেছি আরও কিছু কিনবো।

শিল্পী নামের এক নারী ক্রেতা বলেন, ভেবেছিলাম শীত বেশি পড়বে না। কিন্তু শীতের তীব্রতা বেড়েই চলছে, দিনে রাতে হাড় কাঁপানো শীত পড়ছে। তাই নিজেদের ও ছোট মেয়ের জন্য গরম জামা কিনতে এসেছি।

পোশাক বিক্রেতারা জানান, বেচাকেনা দ্বিগুণ বেড়েছে। শীত পড়লেও দৈনিক গড়ে ১৫-২০ হাজার টাকার শিশুদের জামা-কাপড় বিক্রি হতো। কিছুদিন শীতের তীব্রতা বাড়ায় শিশু কিশোরসহ সকল প্রকার শীতের কাপড় বেশি বিক্রি হচ্ছে। এতে দৈনিক বেঁচা কেনা ৩০-৪০ হাজার টাকার মতো।

কম মূল্যর জন্য পরিচিত শহরের সুপারমার্কেট এলাকার পাতাল মার্কেটের এক দোকানদার জানান, জ্যাকেট, হুডি, টাউজার, টুপি বেশি বিক্রি হচ্ছে। তবে ছুটির দিনে প্রচুর ক্রেতা আসে।

www.bbcsangbad24.com

Leave A Reply

Your email address will not be published.