মার্চ ৩১, ২০২১,

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করার পর ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়ায় অর্ধেক যাত্রী নিয়ে শুরু হয়েছে গণপরিবহনের চলাচল। এর ফলে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সড়কে গণপরিবহনের সঙ্কটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে অফিসগামী যাত্রীদের ভোগান্তি পৌঁছেছে চরমে।

বুধবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আসাদগেট, জিগাতলা, ধানমন্ডি, কলাবাগান, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, নীলক্ষেত, আজিমপুর, চানখারপুলসহ আশপাশের এলাকা ঘুরে এমন বাস সঙ্কটের মানুষের দুর্ভোগের চিত্র দেখা গেছে।

অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও বাসে উঠতে পারেননি অনেকে। গণপরিবহন আসামাত্রই সবাই হুড়োহুড়ি করে একটি বা দুইটি ফাঁকা সিটে উঠে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা অনেক নারী চাকরিজীবী অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে থেকেও কোনো গাড়িতে উঠতে পারছেন না। তবে দু’একদিন পর এই অবস্থা ঠিক হয়ে যাবে বলে অনেকেই মনে করছেন।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বাভাবিক যান চলাচলের মধ্যেও অফিসের আগে ও পরে ঢাকায় বাস সঙ্কট দেখা যায়। সিটিং সার্ভিসগুলোতেও বেশি ভাড়া দিয়ে মানুষ দাঁড়িয়ে চলাচল করেন। আর এর মধ্যে বাসে অর্ধেক যাত্রী বহন করায় যাত্রীদের বিশেষ করে অফিসগামীরা আরও বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। সবকিছু খোলা রেখে বাসে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে গিয়ে যাত্রীরা এককথায় বিপদেই পড়েছেন। কেউ কেউ প্রশ্ন করছেন, মোড়ে মোড়ে হাজারো মানুষের জটলা বেধে বাসের জন্য অপেক্ষার জেরে কতোটা নিশ্চিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি?

উল্লেখ্য, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকারকে নানা ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ আরোপ করতে হয়েছে। ২৯ মার্চ এ সংক্রান্ত জারি করা ১৮ দফা নির্দেশনার মধ্যে একটি ছিল গণপরিবহন চলবে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে। আর তার জন্য যাত্রীদের দিতে হবে ৬০ শতাংশ বেশি ভাড়া। আজ (বুধবার) সকাল থেকে দু’সপ্তাহের জন্য কার্যকর হয়েছে নতুন এই নিয়ম।

www.bbcsangbad24.com