এপ্রিল ২৯, ২০২১,

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান লকডাউনের মেয়াদ আরো বাড়তে পারে। তবে বিধিনিষেধের সময়সীমা বাড়লেও সরকার গণপরিবহন চালুর চিন্তা করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে জারি করা সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৫ মে মধ্যরাতে। সাপ্তাহিক বন্ধ আর ছুটি ছাড়া এ বিধিনিষেধ শেষে ঈদের আগে কর্মদিবস পাওয়া যাবে আর মাত্র ৩ দিন। এ জন্য বিধিনিষেধ উঠিয়ে নেয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

চলমান বিধিনিষেধ শেষে বৃহস্পতিবার ৬ মে প্রথম কর্মদিবস। এরপর ৭ ও ৮ মে শুক্র-শনিবার দুদিন সাপ্তাহিক ছুটি। ৯ মে রোববার এক দিন কর্মদিবস থাকলেও পরেরদিন ১০ মে সোমবার শবে কদরের ছুটি।

এর পরদিন ১১ মে মঙ্গলবার কর্মদিবস হলেও ১২ মে বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ঈদের ছুটি। সে হিসেবে ঈদের আগে কর্মদিবস পাওয়া যাবে মাত্র তিন দিন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ঈদের আগে যেহেতু কর্মদিবস কম সেহেতু বিধিনিষেধ চলমান রাখার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

একই তথ্য জানান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, কিছু শর্ত শিথিল করে বিধিনিষেধ বাড়ানোর চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। চলমান বিধিনিষেধ শেষ হওয়ার আগে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেই সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, বিধিনিষেধ বাড়ানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছি। পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আটদিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। পরে সাতদিন করে দু-দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সেই মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৫ মে (বুধবার) মধ্যরাতে।

লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিংমল সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রয়েছে। খোলা রয়েছে শিল্প-কারখানা। এছাড়া জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া যথারীতি সরকারি-বেসরকারি অফিস, গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। সীমিত পরিসরে ব্যাংকে লেনদেন করা যাচ্ছে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত।

www.bbcsangbad24.com