মে,২২,২০২১

ফারহানা আক্তার জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ 

ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে গত রবিবার (১৬ মে) সকল সরকারি কর্মকতার্-কর্মচারীদের স্ব-স্ব কর্মস্থলে যোগদানের জন্য সরকারের নিবার্হী আদেশ থাকলেও জয়পুরহাটের পাঁচবিবি বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কাযার্লয়ের সহকারী প্রকৌশলী সালাহ্ উদ্দীন পুরো সপ্তাহ জুরে অফিস করেননি। সরেজমিনে রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অফিসে অনুপস্থিতের বিষয়ে জানতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন অফিসে গেলে অফিস সহকারীরা বলেন স্যার ছুটিতে আসে। যদিও সরকারের আদেশ ছুটি থাকলেও সকল সরকারি কর্মকর্তাদের স্ব-স্ব কর্মস্থলে অবস্থান করতে হবে। এসবের তোয়াক্কা না করে এই কর্মকতার্ অফিসে আসেননি। এদিকে নিয়মিত অফিস না করায় হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন সেবা নিতে আসা অনেক গ্রাহক। গ্রাহকদের দাবি এখানে অনিয়মই যেন নিয়মে চলে।

উপজেলার আওলাই ইউপি’র কাঁকড়া পিংলু গ্রামের গভীর নলকুপের মালিক মো.অলিউজ্জামান বলেন, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কার্যালয়ে অনিয়মটায় যেন নিয়মে চলে। বরেন্দ্রর নিয়মনীতিমালার কোন বালাই নেই এখানে। কর্মকতার্ ও ম্যানেজারদের ইচ্ছে মত নিয়মে চলে এই অফিস। তিঁনি আরো বলেন, বরেন্দ্রর নানা অনিয়মের বিষয় আদালতে আমার দায়ের করা দুটি মামলাও চলমান আছে। একই অভিযোগ করে উপজেলার সীমান্তবতর্ী ভীমপুর এলাকার কৃষক এমদাদুল হক বলেন, প্রায় এক বছর আগে সেচের জন্য আবেদন করেছি। অফিস থেকে লোকজন এসে মাপযোগও নিয়ে গেছে। অফিসে গেলে বলে আজ দিব, কাল দিব বলে কালক্ষেপণ করছে। এখন ঈদের পর অফিসে গিয়ে দেখি কর্মকতার্ই নেই।

পাঁচবিবি বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কাযার্লয়ের সহকারী প্রকৌশলী সালাহ্ উদ্দিন বলেন, আমি অসুস্থ্যজনিত কারনে ছুটিতে আছি বিধায় অফিসে যাইনি। আপনে যে ছুটিতে আছেন, বিষয়টি কি জেলা কর্মকতার্ জানেন? এমন প্রশ্ন করলে তিঁনি বলেন, হ্যাঁ জানেন। আমি জেলা কর্মকতার্র কাযার্লয়ে লিখিত ছুটির আবেদন করেছি। এদিকে জেলা কর্মকতার্র মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও রিচিভ না করায় এক দিন পরে তিঁনি কল ব্যাক দেন।
জয়পুরহাট জেলা বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিবার্হী কর্মকতার্ শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার জানা মতে সে তো এখন অফিসে থাকার কথা। কেন অফিসে নেই? আপনার কাছে কি কোন লিখিত ছুটির আবেদন দেওয়া হয়েছে? জানতে চাইলে তিঁনি বলেন, না। তবে মৌখিক ভাবে আমাকে জানিয়েছে। তাহলে ওই কর্মকতার্ কি পুরো সপ্তাহ জুড়ে ছুটিতে আছেন? আপনে তাকে কি ছুটি দিয়েছেন? এসব প্রশ্ন মুঠোফোনে করলে এক পযার্য়ে মুঠোফোনেই রেগে উঠেন এই জেলা কর্মকতার্।

www.bbcsangbad24.com