মে ২৩, ২০২১,

খুলনা প্রতিনিধি:

দেশে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলগুলো। এ জেলার নয়টি উপজেলার মধ্যে গত বছর আম্ফানে সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কয়রা, দাকোপ, পাইকগাছা। এ অঞ্চলের মানুষদের জলোচ্ছ্বাস থেকে বাঁচাতে প্রস্তুত করা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র। সেই সঙ্গে প্রস্তুত রয়েছে ১১৪টি মেডিকেল টিম।

খুলনা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলার প্রতিটি উপজেলায় পাঁচটি ও প্রত্যেক ইউনিয়নে একটি করে মোট ১১৪টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত করা হয়েছে। সিএইচসিপি দ্বারা সার্বক্ষণিক ক্লিনিকগুলো খুলে রাখার নির্দেশ, প্রতিটি উপজেলায় সত্তর হাজার খাবার স্যালাইন ও ষাট হাজার পানি বিশুদ্ধ ট্যাবলেট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জরুরি বিভাগের সার্বক্ষণিক সেবা প্রদানের জন্য ডাক্তারের ব্যবস্থা ও প্রত্যেক উপজেলায় একটি প্রয়োজন অনুযায়ী দুইটি করে এম্বুলেন্স রাখা হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ বলেন, প্রতিটি উপজেলায় মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। খাবার স্যালাইন ও পানি বিশুদ্ধ ট্যাবলেট প্রস্তুত রয়েছে। ইনজুরির সামগ্রী সর্বদা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঔষধপত্র এবং সেবিকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের তথ্য অনুযায়ী শনিবার বেলা ২টার পর পূর্ব মধ্য বঙ্গপোসাগর ও তার পার্শবর্তী এলাকায় লঘু চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার নাগাদ খুলনা উপকূলে পৌঁছাতে পারে। দুবলার চরের সন্নিকটে ইলিশ মাছ ধরা ট্রলারগুলোকে উপকূলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঘূর্ণিঝড় বেশি শক্তিতে আঘাত হানতে পারে। এখনও নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না ঘূর্ণিঝড়টি কোন কোন এলাকায় আঘাত হানতে পারে। তবে সুন্দরবনের দক্ষিণ পাশ দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। আবার দিক পরিবর্তনও হতে পারে।

www.bbcsangbad24.com