জুলাই,১৭,২০২১

মো. নাজির হোসেন : 

আর মাত্র ৩ দিন বাকি ঈদুল আজহা – কোরবানীর ঈদ। এরই মধ্যে জমে উঠেছে মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী (আর.এম.সি) অস্হায়ী পশুরহাট। পশুরহাটটি সরকারি নির্দেশনা মেনে চলছে। এবার এখানে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ভালো মানের কোরবানীর পশু এ হাটে বিক্রির জন্য এসেছে। কালো, সাদাসহ বিভিন্ন রং এর বাহারি গরু রয়েছে এ পশুরহাটে। এখানে সিরাজগঞ্জ, পাবনা, ফরিদপুর ও ইন্ডিয়ান জানের গরু রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে মিরকাদিম পশুর হাটে বিভিন্ন রং গরু, ছাগল রয়েছে। পশুর বেপারীরা খাওয়াচ্ছি তাদের পশুগুলোকে। আবার কেউ রং বা কালার দেশে দাম নিয়ে কথা বলছেন বেপারীদের সাথে।

সিরাজগঞ্জের চৌহালীর রবিউল (৩৫) বলেন, এ হাটে এর আগেও এসেছেন তিনি। এবার ৭ টি গরু নিয়ে এসেছেন। ২ টি ইন্ডিয়ান জাতের গরু, ২ টি দেশীয় জাতের গাভী ও ৩ টি ষাঁড় গরু রয়েছে। হাট এখনো ভালো করে জমে উঠেনি। আশা করছেন আগামীকাল শনিবার থেকে জমবে। তার কাছে ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা দামের পশু রয়েছে।

এদিকে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের নাখর বেপারী(৫৫) বলেন, এবার আমি এখানে প্রথম আসলাম। ১৭ টি ষাঁড় গরু নিয়ে এসেছেন। এর মধ্যে ২ টি গাভী রয়েছে বাদবাকি সবগুলো ষাঁড় গরু। সবই দেশীয় জাতের গরু তার। আরও বলেন এ জেলার, এ হাট টি অনেক শুনাম শুনেছি। তাই আসলাম এ হাটে। সবাই দেখছেন আবার কেউ দামও বলছেন।

মিরকাদিম পৌর এলাকার আবুল হোসেন বলেন, একটি পছন্দের গরু কিনবো কোরবানীর জন্য। দেখছি দুইটি গরু পছন্দ হয়েছে। দাম নিয়ে কথা বলছি। তবে এবার একটু দাম বেশী মনে হয় গরু।

ইজারাদার মাসুদ রানা পিন্টু জানান, মিরকাদিম পৌরসভার আরএমসি একটি ঐতিহ্যবাহী অস্হায়ী পশুর হাট। এখানে স্বাস্থ্য বিধি মেনে পরিচালিত হচ্ছে। এখানে বেপারিদের খাওয়া দাওয়া ও থাকার ব্যবস্হা রয়েছে। এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে পরিচালনা করছি।মোটামুটি বিক্রি শুরু হয়েছে। আশা করি হাটটি জমবে।

www.bbcsangbad24.com