দেশ ও মানুষের কথা বলে

জেল থেকে বের হয়ে বাদীকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২,

কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার দেবিদ্বারে নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতার ঘটনায় মামলায় জামিনে বের হয়ে মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার বিকালে মামলার বাদি মো. ইউনুস মিয়া দেবিদ্বার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে,  উপজেলার ইউছুফপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে গত ৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিত মেম্বারর আনোয়ার হোসেন বিজয় মিছিল নিয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়ির পরাজিত মেম্বার প্রার্থী সাবেক মেম্বার আবুল কালাম’র সমর্থকদের উপর হামলা চালিয়ে দেশীয় অস্র দিয়ে কুপিয়ে নারী পুরুষ ৫ জনকে গুরুতর আহত করে। পরে আহতদের উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁরা জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে আইসিওতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ওই ঘটনায় পরদিন সাবেক মেম্বার আবুল কালাম’র চাচা মো. ইউনুস মিয়া বাদী হয়ে ২১ জনকে আসামি করে দেবিদ্বার থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে আসামিরা জামিনে এসে মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন ভয়ভীতিসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।

মামলার বাদি মো. ইউনুস  মিয়া জানান, বিজয়ী আনোয়ার মেম্বারের পরিবারের সদস্যরা নির্বাচনী পূর্ব শক্রতার জেরধরে আমার ভাতিজা সাবেক মেম্বার আবুল কালাম’র বাড়িতে এসে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ঘর বাড়ি ভাঙচুর করে কুপিয়ে আমার ভাতিজা সহ ৫ জনকে আহত করে। এই ঘটনায় আমি বাদী হয়ে দেবিদ্বার থানায় মামলা দায়ের করি। মামলা নং ৫। ওই মামলার আসামিরা জামিনে এসে আমাকে মামলা তুলে নিতে মেম্বার আনোয়ার ও দেলোয়ার হোসেন দেলু হুমকি দিয়ে আসছে।

এবং মামলা তুলে না নিলে প্রাণনাশেরও হুমকি প্রদান করে। আমি ৮ জনকে অভিযুক্ত করে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে দেবিদ্বার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। বর্তমান আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগতেছি। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ায়র জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।

এ ব্যাপারে দেবিদ্বার থানার এসআই সোহেল রানা জানান,  শিবপুর গ্রামে নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতার ঘটনার মামলার বাদি মো. ইউনুস মিয়াকে হুমকি দেয়ার বিষয়ে গতকাল বিকালে থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। তবে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

www.bbcsangbad24.com

Leave A Reply

Your email address will not be published.