দেশ ও মানুষের কথা বলে

সুপ্রীম কোর্ট বার নির্বাচনে প্রার্থীতা নির্ধারণে ব্যত্যয়!

মার্চ ০১, ২০২২,

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সবোর্চ্চ বিচারালয় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রার্থী নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যত্যয় ঘটানোর অভিযোগ উঠেছে। সব ধরণের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও দলীয় বোর্ডে উপস্থাপন করা হয়নি। যা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির পরিপন্থী বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি। তিনি আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সম্পাদক পদে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক বরাবর লিখিত অভিযোগে (চিঠি) তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচন ২০২২-২০২৩ সনের বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের পক্ষে সম্পাদক হিসেবে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি দলীয় মনোনয়নপত্র কেনেন তিনি। পরে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি তা জমা দেন।

চিঠিতে তিনি জানান, নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানতে পারি, আমার জমাকৃত নমিনেশন পেপার, নমিনেশন বোর্ডে দুরভিসন্ধিমূলক ও বিতর্কিতভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। যা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির পরিপন্থী বলে তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও লিখেছেন, ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিষয়টি সুবিবেচনাপূর্বক তদন্ত করে নমিনেশন পদ্ধতি বিতর্কিত না করে গ্রহণযোগ্য করতে কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এ ব্যাপারে অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথী বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে দলীয় নমিনেশন একটি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জ্যোষ্ঠরা বসে ঠিক করেন। আমি মনোনয়ন পত্র কিনেছি, জমাও দিয়েছি। কিন্তু কোনো প্রকার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে দুরভিসন্ধিমূলক ও বিতর্কিতভাবে আমার মনোনয়নপত্র দলীয় মনোনয়ন বোর্ডে জমা না দিয়ে বাদ দেওয়া হয়েছে।’

মনোনয়নপত্র বোর্ডে জমা না দেওয়ার কারণ জানতে চেয়ে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক বরাবর চিঠি পাঠিয়েছেন উল্লেখ করে অ্যাডভোকেট যুথী বলেন, ‘আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সঙ্গে আমি দীর্ঘদিন ধরে জড়িত। এর আগে ২০০৮ সালে আমি নির্বাচিত ট্রেজারার ছিলাম। গোটা এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে আমি ৩২ বছর ধরে জড়িত আছি। আমি জানতে চেয়েছি— আমার মনোনয়ন পত্র বাদ দেওয়া হলো কেন। এটা জানা আমার অধিকার।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ চার বছর ধরে আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে চলছে। সংগঠনটির সদস্য সচিব ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর সংগঠনের দায়িত্ব ছেড়েছেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদে স্থবিরতা বিরাজ করছে। একটি বিশেষ মহল সংগঠনটি অগণতান্ত্রিক উপায়ে নিজের মতো পরিচালনা করছে। এটি গণতান্ত্রিক সংগঠন। গণতান্ত্রিক ধারায়ই সংগঠনটি চালাতে হবে’।

www.bbcsangbad24.com

Leave A Reply

Your email address will not be published.