দেশ ও মানুষের কথা বলে

রাস্তার অভাবে সনখোলা এলাকাবাসীর চরম ভোগান্তি

মে,১১,২০২২

নূর এ আজাদ, বন্দর,নারায়নগঞ্জ থেকে:

রাস্তার অভাবে কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সনখোলা এলাকার গ্রামবাসীর চরম ভোগান্তি। সনখোলা এলাকার স্কুল ও মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র- ছাত্রীদের অভিভাবকের স্বাক্ষরযুক্ত একটি দরখাস্ত বন্দর প্রেসক্লাবে দেওয়া হয়।
দরখাস্তের পরিপেক্ষিতে বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিকগন ১১ মে বুধবার উক্ত রাস্তাটি সরজমিনে গিয়ে দেখতে পাওয়া সনখোলা এলাকার জনগণ এবং স্কুল মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীগণ যাতায়াত করার জন্য বিভিন্ন ক্ষেতের আইল (ক্ষেতের সীমানা চিহ্ন)রাস্তা বানিয়ে যাতায়াত করতে হয় যা বর্ষাকাল ও সামান্য বৃষ্টি হলেই যাতায়াত করা যায় না। তাই বিকল্প হিসেবে একটি রাস্তা আছে যাহা মানুষের বাড়ির উপর দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। স্কুল ও মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী জনগণ সেই রাস্তাটি দিয়ে যাতায়াত করে।
ওই রাস্তার সম্মুখের জমির মালিকগন তাদের জমির উপর পাকা ঘর নির্মাণ করছেন, ইহাতে স্কুল মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রী ও জনগণের বিকল্প রাস্তাটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাজী কামরুল হাসান জজ’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমাদের এ সনখোলা গ্রামের জনগন ও স্কুল মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীগণের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রের উপর দিয়ে একটি রাস্তা দেওয়া হয়েছিল যা বর্ষাকালে বা সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায়। একটু বৃষ্টি হলেই যাতায়াত করা যায় না, তাই জনগণ ও এলাকার ছাত্র-ছাত্রীগণ বিকল্প রাস্তা হিসেবে মানুষের বাড়ির উপর দিয়ে রাস্তার মতো মানুষ চলাচল করে, এখন ওই রাস্তার একেবারেই সম্মুখভাগে দুটি পাকা বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, আমি তাদের বললাম যেহেতু জনগনের কষ্ট হবে প্রয়োজনে আমি আপনাদের অত:টুকু জমির জন্য পিছনের হিস‍্যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দেই আপনারা জনগণের উপকার টা করেন।
রাস্তা দেওয়াও কিন্তু সদগায়ে জারিয়া রাস্তাটা হয়ে গেলে এলাকার অনেক উপকার হবে পিছনের মানুষ গুলো যাতায়াত করতে পারবে। তারা আমার কথা না শুনে স্থাপনা তৈরি করেছেন।
স্থাপনা নির্মানকারী ইউসুফ মিয়া বলেন, হাফিজ মিয়া তার ইমারত নির্মাণ করার সময় পাশে কোন জায়গা রাখেনি। আমি কেন রাখবো। আমি রাস্তার জন্য জায়গা দিবওনা বিক্রিও করব না।
এ ব‍্যাপারে গ্রামবাসী রিয়াজুল হাসান, মামুন, আনোয়ার, শুক্কুর আলী, কাজল মোল্লা, রুনা বেগম, মিতু বেগম, পারুল বেগম, মুক্তা বেগম, সানোয়ার হোসেন ও সীমা আক্তারগন রাস্তা দাবি করে বলেন প্রয়োজনে আমরা রাস্তার দাম দিবো আমাদের ও আমাদের সন্তানদের চলাচলের জন্য রাস্তা দেওয়া হোক।
স্কুলের শিক্ষার্থীরা জানান, এ রাস্তাটি না হলে আমাদের স্কুলে যাতায়াত বন্ধ হয়ে যাবে। বর্ষা মৌসুমে আমরা স্কুলে যেতে পারবোনা। তাই রাস্তাটি জরুরী ভাবে দরকার।

মীরকুন্ডি স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষকাগন জানান, আমরা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করছি। এ ব‍্যাপারে প্রশাসন যেন যাতায়াতের রাস্তার ব্যবস্থা করেন।

www.bbcsangbad24.com

Leave A Reply

Your email address will not be published.