জুলাই,২০,২০২৬
নিজস্ব প্রতিবিদক
মুন্সীগঞ্জর সদর উপজেলার মীরকাদিম পৌরসভাধীন রিকাবী বাজার মৌজায় খতিয়ানের অন্তরে সি এস ২৯৬ এস এ ৩১৯, সি এস ও এস এ ৩৪৪ দাগের মধ্যে এককুনে ১০৩ শতাংশ এবং আর এস এর অন্তরে ২১নং খতিয়ানের ৪৯৭ দাগের মেধ্যে ৪২ শতাংশ ওয়াফকাকৃত সম্পত্তিতে নির্মাণ করা হয় গ্রীণ ওয়েল ফেয়ার সেন্টার ক্লাব মার্কেট নামে বহুতল ভবন। অথচ ওয়াফকাকৃত সম্পত্তিতে ভবন বা স্থাপনা নির্মান করতে হলে ওয়াফকা স্ট্রীট থেকে অনুমতিক্রমে স্থাপনা করার নির্দেশনা থাকলেও তৎকালিন মুতায়াল্লী মনির হোসেন শিপন কোন অনুমতির তোয়াক্কা না করেই ভবন ণির্মান করে সেখানে পজিশন বিক্রি করে মোটা অংকের অর্থ উপর্জন করেন। এমন অভিযোগ ভুক্তভোগী নজরুল ইসলামের।
উক্ত ওয়াফকাকৃত সম্পত্তি উদ্বারের জন্য মামলা দায়ের করেন প্রাপ্তন মুতায়াল্লী আবু নাসের ছিদ্দিক যাহা মামলা নং ৬৭৭/০৮। বর্তমানে এর উপর হাইকোর্টের নিষেদাজ্ঞা জারিকৃত আছে। এর পরেও মুতায়াল্লী কোর্টের নিষেধাজ্ঞাকে বৃদ্ধাংলী দেখিয়ে কৌশলে স্থানীয় নজরুল ইসলাম খানের নিকট ১০ লক্ষা টাকার বিনিময়ে ৩টি দোকানের পজিশন বিক্রি করেন বর্তমান সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক মনির হোসেন স্বাক্ষরিত দলিল মুলে।
এবিষয়ে নজরুল ইসলাম বলেন,এই মার্কেটটি পরিচালনা করেন দুটি সমাজের লোকজন । উক্ত সম্পত্তিতে ঝামেলা আছে বলে বিক্রেতাগণ পজিশন ক্রয়দাতা আমাকে প্রস্তাব দেয় এহেন যে তার পজিশনের সম্পত্তি তাদের কাছে হস্তান্তর করার জন্য এবং বিনিময়ে তাহার প্রাপ্য টাকা ফেরৎ দিবে বলে। তাদের প্রস্তাবে আমি রাজি হয়ে পজিশন ক্রয়কৃত সম্পত্তি হস্তন্তর করি শর্ত সাপেক্ষে।
কিন্ত কতৃপক্ষের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক শর্ত সাপেক্ষের কথা রাখেনি আমার প্রাপ্য টাকা ফেরৎ না দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন। এমনকি তারা আমাকে ক্লাবে ডেকে নিয়ে একটি ব্লাইং স্টাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে তাদের মনগড়ামত স্টাম্পে লিখে যে সে টাকা বুঝে নিয়ে উক্ত ষ্টাম্পে করার কথা। এমন তথাকতিত ঘটনার প্রেক্ষাপটে আমি আইনী সহযোগিতার জন্য কোর্টের স্বরনাপন্ন হই এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা দায়ের করি যাহা মামলা নং ৩১৫/২৫। পরে কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক পুলিশ ষ্টাম্প উদ্বার আদালতে জমা দেয়।
পরবর্তিতে গ্রীণ ওয়েল ফেয়ার সেন্টার ক্লাব এর সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক মনির হোসেন শিপন নজরুল ইসলামের টাকা ফেরৎ না দেওয়ায় তিনি সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যজিস্ট্রেট ১নং আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন যাহা নং সি আর ৭৪২/২০২৫ইং।
মামলার আলোকে কোর্ট নজরুল ইসলামকে প্রাপ্য টাকা ফেরৎ দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। পরে বিবাদীগন আদালতে হাজির হয়ে গত ৭ জুন মোসলেকা প্রদান করে যে ১৫ কার্য দিবস অর্থাৎ ২৩ জুনের মধ্যে পাওনা টাকা ফেরৎ দিবে কিন্ত যথাসময়ে টাকা ফেরৎ না দেওয়ায় আদালত মনির হোসেন শিপন ও রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।
উল্লেখ্য যে কতিত মনির হোসেন শিপন তৎকালিন মুতায়াল্লি থাকা অবস্থায় বর্তমান মামলার বাদীর পিতা আব্দুল বাছদ খানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন যাহা সি আর ৪৯৯/১৮ । উক্ত মামলাটি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আমলী আদালতে মিথ্যা প্রশাণিত হওয়ার কারনে বিবাদীর ছেলে নজরুল ইসলাম তার বাবাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার জেরে বাদী হয়ে মনির হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে ১নং আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন যাহা নং সি আর ৪৯৩/১৯ উক্ত মামলায় আসামী মনির হোসেনর শিপনের ৩ মাসের সাজা প্রদান করেন আদালত এবং আসামী ৩ মাস হাজতবাস করে। আসামী মনির হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জ থানায় আরেকটি মামলার ও গ্রেফতারী পরোয়ানা রয়েছে।
পরে কৌশলগতভাবে মনির হোসেন শিপন ও রফিকুল ইসলাম মামলার বাদী নজরুল ইসলামের প্রাপ্য টাকা পরিশোধ না করে আদালত থেকে তথ্য গোপন করে জামিন নেয়। জামিন নেওয়ার পর বিবাদীগন বাদীকে প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে আসছে নিয়মিত ।
এদিকে ভুক্তভোগী নজরুল ইসলামের দাবী অবিলম্বে আসামী মনির হোসেন শিপন ও রফিকুল ইসলামের কাছে তাহার পাওনা টাকা ফেরৎ পাওয়ার জন্য উদ্দর্তন প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন।
www.bbcsangbad24.com



